“ পাত্থরকে সনম তুঝে হামনে মোহাব্বত কা খুদা জানা ”
পাত্থরকে ফুল, কথাটা এই রুপসী বাংলায় নদী নালা গাং সমন্নিত এলাকার ছবির সাথে মেলানো যায় না, দু একটা যায়গায় ছোটখাটো টিলা, যা তেমন রসালো না হওয়ায়, কবিদের কলম ধানসিঁড়ি ও কপোতক্ষ জুড়ে ফসল ফলায় । কিন্তু যদি চাষের পর্য্যায় আর চাষ পদ্ধতির ভিতরে ডুব দেওয়া যায়, নদীর অতল থেকে ভাটিয়ালীর স্বর উঠে আসে, আর যেভাবে কিংবা জমিহীন কৃষকের ঘরে উঠে আসে সাধের একতারা, আমি বুঝতে পারি সেই একসুরে বাঁধা কর্ষন পদ্ধতি । গান শুনতে ভিন্ন হলেও সেই এক মিঠাস । পাহাড়ে বসন্ত আসুক বা না আসুক, ফুল ফুটবেই । একটি ছবি দেখে নেওয়া যাক ।
চিত্রঃ শুষ্ক পাথর ফুঁড়ে প্রকৃতির খুবসুরত রচনা
পাহাড়টি লাল ও রুক্ষ, আশেপাশে কোন মাটি নেই । দোয়াস, বেলে বা এটেল যা জীবন ধারনের জন্য দরকার । কিন্তু প্রকৃতির এক আমোঘ খেয়াল পাহাড় ফাটিয়ে সেখানে জন্ম নেয় গাছ । জীবন প্রস্ফুটিত হয়, ফুল খিলে ওঠে , খিল খিলিয়ে হাসে, রোদ পোহায়, প্রেমিক কে চুপিসারে ডাকে, ফুল ফুলে ওঠে ।
Comments
Post a Comment